নন্দীগ্রামে রণবাঘাহাটের রাজস্ব ক্ষতি করছে সিংড়ার জামতলীহাট

৪৫ Views

জিল্লুর রয়েল, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি ::

বগুড়ার নন্দীগ্রামে রণবাঘাহাটের রাজস্ব ক্ষতি করছে সিংড়ার জামতলীহাট। প্রতি সপ্তাহে সোম ও শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপজেলার ২নং নন্দীগ্রাম ইউনিয়নের রণবাঘাহাট বসে।

অপরদিকে সিংড়া উপজেলার জামতলীহাটও একই দিনে বসে। প্রাচীনকাল থেকে ওই ২ টি হাট একই দিনে বসে আসছে। গত শুক্রবার হাটের দিন সকালে বিভিন্ন এলাকার গরু বোঝাই গাড়ী রণবাঘাহটের অভিমুখে আসতে লাগলে জামতলীহাটের ইজারাদারের লোকজন তা আটকে দিয়ে জামতলীহাটে গবাদি পশুরহাট বসায়।

অথচ জামতলীহাট গবাদি পশুরহাট নয়। এতে রণবাঘাহাটের গরু বেচাকেনা কমে যায়। নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় হতে দরপত্রের মাধ্যমে শেরপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম শিরু রণবাঘাহাট ১ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হজার ৬০০ টাকা ইজারা গ্রহণ করে।

এতে ২৬ লাখ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকা আয়কর ভ্যাট প্রদান করা হয়। মোট ১ কোটি ৫৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২০ টাকা ইজারা মূল্য দাঁড়ায়। রণবাঘাহাটের ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, আমরা যথারীতিভাবে হাটটি ইজারা গ্রহণের পর খাঁজনা আদায় করে আসছি। জৈষ্ঠ, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে রণবাঘাহাটে গবাদিপশু বেচাকেনা হয়।

গত শুক্রবার জামতলীহাটের ইজারাদারের লোকজন গরু বোঝাই গাড়ী জোরজুলুম করে আটকে দেয়। এতে প্রায় ৫০০ গরু কম বেচাকেনা হয়েছে।

এমন অবস্থা হবে জানলে এত বেশি টাকায় হাট ইজারা গ্রহণ করতাম না। আর সিংড়ার জামতলীহাট গবাদি পশুরহাট নয়। তারা জোরজুলুম করে গবাদি পশুরহাট বসায়। এতে নন্দীগ্রাম উপজেলার রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমাদেরও এবার হাটে ব্যাপক লোকসান হবে।

তাই এ বিষয়ে বগুড়া ও নাটোর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। রণবাঘার বেলাল হোসেন বলেছে, জামতলীহাটের ইজারাদার জোরজুলুম করে জামতলীহাটে গবাদি পশুরহাট লাগানোর কারণে রণবাঘা হাটের ব্যাপক ক্ষতি হবে। আর এটা খুব অন্যায় কাজ।