সিরাজদিখানে যুব দল নেতার সংবর্ধনা পন্ডু

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিা::
সিরাজদিখানে শুক্রবার যুবদল নেতার সংবর্ধনায় পুলিশের বাধা ও লাঠিচার্জ করা হয়। সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক পদে নির্বাচিত করায় সংবর্ধনার আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠন। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে সিরাজদিখান বাজারে উপজেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি কালে পুলিশ এসে কার্যালয় বন্ধ করে দেয়।

এরপর সোহেল আহমেদ তার গাড়িবহড় নিয়ে উপজেলার কাঠপট্টি রোডে পথসভা করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। লাঠি চার্জে ৩ জন আহত হয়। এ সময় তার সাথে ছিলেন জেলা যুবদল যুগ্ন সম্পাদক ইকবাল হোসেন, উপজেলা যুবদল সভাপতি ইয়াছিন সুমন, যুবদল যুগ্ন সম্পাদক আফজাল হোসেন, যুবদল যুগ্ন সম্পাদক এ আর মানিক, যুবদল নেতা কোরবান আলী মিন্টু, শ্রমিকলদল সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া, ছাত্রনেতা রিগ্যানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময়ে উপজেলার সন্তোষপাড়া মোড় থেকে উপজেলা মোড় পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সোহেল আহমেদ জানান, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাংগঠনিক নির্বাচিত করায়, আমার এলাকায় বিভিন্ন সংগঠন শুভেচ্ছা জানালে আমিসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয়। এটা কোন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল না। পুলিশ আমাদের শরীরে হাত তোলে এবং আমার কর্মীদের লাঠিচার্জ করে । আমাকে পুলিশ হুমকী দেয় এলাকায় যেন না আসি। এটা আমার জন্ম ভুমি। এমন আচরনের জন্য আমি তাদের ঘৃণা জানাই। পুলিশ কার্যালয় বন্ধ করে দেয়। আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের মা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

সিরাজদিখান থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজিজুল হক জানান, তারা না জানিয়ে কোন অনুমতি না নিয়ে অনুষ্ঠান করতে সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছিল। আইন শৃঙ্খলার অবনতিসহ কোন সমস্যা হলে এর দায় কে নিবে। কোন লাঠি চার্জ হয়নি। তাদের কয়েকটি মোটর সাইকেল রাস্তার পাশেছিল পুলিশের টের পেয়ে তারা সরে পরে।