সিরাজদীখানে ভ্রাম্যমাণ ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়

৫০ Views

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ::

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ভ্রাম্যমাণ ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় করা হচ্ছে। দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে জনসাধারণ প্রানিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প’র (এলডিডিপি) সহযোগিতায়, বাংলাদেশ ডেইরী ফার্মার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএ) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ফার্মার্স এসোসিয়েশন (বিপিএফএ) বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ উপজেলায় ২ টি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিন পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিয়নে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প জৈনসার ইউনিয়ন এলএসপি নাসরিন বেগম জানান, প্রতিটি ডিম ৬ টাকা, প্রতিলিটার দুধ ৬০ টাকা ও প্রতিকেজি মাংস (বয়লার মুরগি) ১২০ টাকা করে বিক্রি করছি। প্রতিদিন ২ গাড়িতে ১৮শ ৬০ টি ডিম, ৫শ ১০ লিটার দুধ ও ১শ ৫০ কেজি মাংস বিক্রি করা হয়। কখনো সামান্য কম বেশি হয়।

সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে। আমি গতকাল ইছাপুরা ও জৈনসারের কিছু এলাকায় সকাল ১০ টা থেকে দুপুর আড়াইটার মধ্যেই ৯শত ৬০ পিস ডিম বিক্রি করতে পেরেছে। আগের অর্ডারসহ দুধ ১শ ৪০ লিটার আর মাংস ১শ ৫০ কেজি বিক্রি হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প মালখানগর এলএসপি সেলিনা ইসলাম জানান, আমরা গ্রামে গ্রামে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি। বলাচলে সস্তায় তারা ঘরে বসেই পাচ্ছেন। তাছাড়া মানে ভালো দামে কম হওয়ায় জনগণ খুব খুশি। চাহিদা অনেক, সে অনুযায়ি দিতে পারি না। কারণ এসব অটোরিক্সায় মালামাল যাতায়াতে সমস্যা। তবে আমাদের টার্গেট ফিলাপ হচ্ছে। তাছাড়া খামারিরাও খুশি।

বয়রাগাদি ইউনিয়ন ও মালখানগর ইউনিয়নের কিছু এলাকায় আগের পাওয়া চাহিদাসহ ৯শ পিছ ডিম ও ৩শত ৭০ কেজি দুধ বিক্রি হয়েছে। দিনদিন আরো অর্ডার বাড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জান্নাত নাহার জানান, এ প্রকল্পের কারণে খামারি এবং জনসাধারণ উভয় উপকৃত হবে। গত মাসের ১১ তারিখ থেকে এ উপজেলার ভ্রাম্যমাণ ন্যায্যমুলে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।

টানা ৪৫ দিন চলবে। যদি চাহিদা কমে যায় তাহলে আগেই বন্ধ হয়ে যাবে। একজন মানুষ কমপক্ষে আধা লিটার দুধ, ৪ টা ডিম ও একটা মুরগি (মাংস ১ কেজি/২কেজি) এবং সর্বোচ্চ একশ ডিম, ৫ লিটার করে দুধ ও ৫/৬ কেজি মাংস নিতে পারবে। এর বেশি কারো প্রয়োজন হলে আগে জানালে পরদিন তার চাহিদ অনুযায়ি পৌঁছে দেওয়া হবে।